বিশেষ প্রতিনিধি

চার দেয়ালের বদ্ধ এসি রুম নয়, খোলা আকাশের নিচে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা'র রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্মুখে আমতলায় বসে সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে থাকেন ইকবাল হোসেন অপু এমপি।

তিনি মনে করেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ বদ্ধ এসি রুমে যেতে সংকোচ বোধ করেন, এই কারনে নেতারা সাধারণ মানুষ থেকে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

‘আমি বিলাসিতা করার জন্য রাজনীতি করিনা, আমি রাজনীতি করি মানুষের সেবা করার জন্য, সেই মানুষ যদি আমাদের কাছে আসতে না পারে, তাহলে আমাদের রাজনীতি করে কি লাভ,” তিনি বলেন।

ইকবাল হোসেন অপু আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনা'র ভিশন-২০২১ এবং রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন করতে আমাকে আমার শরীয়তপুরবাসী যে দায়িত্ব দিয়েছে, আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকা অবধি আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

নির্দিষ্ট সময় ছাড়া আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে লোকসমাগম থাকে না। এমন কি প্রতিদিনই বেশিরভাগ সময় একেবারেই ফাঁকা থাকে সভানেত্রীর কার্যালয়।


বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি  আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যাললয়ের সামনে আমতলাতে নেতাকর্মীদের নিয়ে সারাদিনই বসে থাকেন।

সকালে আওয়ামী লীগের কোন সংবাদ সমম্মেলন কিংবা দলীয় কোন নেতা আসলে অল্প কিছু নেতাকর্মী পার্টি অফিসে আসেন। এছাড়া সন্ধায় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা আসেন বলেই কিছু নেতাকর্মী আসেন এই পার্টি অফিসে।

এর বাইরে সকাল সন্ধা পার্টি অফিসের সামনের আমতলায় কেউ না থাকলেও ইকবাল হোসেন অপু থাকেন এটাই নেতাকর্মীদের ধারণা।

আওয়ামী লীগের বিশতম জাতীয় সম্মেলনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য হন তিনি। অনেকের ধারণা ছিল এবার বুঝি ইকবাল হোসেন অপু নিজের কাজে বাইরে থাকবে। কিন্তু নিয়মিত পার্টির নেতাকর্মীদের তিনি আমতলাতেই সময় দেন।


নির্দিষ্ট কোন অফিস ব্যবহার না করে, আমতলাতেই সবার সঙ্গে সময় দেন তিনি। অনেক ক্ষেত্রে অফিসিয়াল ও এলাকার কাজকর্মের কাগজপত্রের স্বাক্ষরও করেন এই আমতলাতেই। নির্লোভী এই এমপি সাধারণ মানুষের কাতা্রেই থাকতে চান সবসময়।

অপু বলেন, “এমপি হলে মানুষ পাল্টে যায় এটা আপনাদের ভুল ধারনা, সবাই তো আর একরকম নয়। আমি এখানে সবাইকে নিয়ে ভালো আছি।

আমি মনে করি আন্তরিকতা থাকলে সব জায়গাতেই বসে কাজ করা যায়।