২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা করা হয়েছে ‘মুজিববর্ষ’। বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনেস্কো।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গণভবনে মুজিববর্ষ সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ তথ্য জানান। বিষয়টি নিয়ে এক বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইউনেস্কোর সদরদপ্তর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ৪০তম সাধারণ অধিবেশনে, সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিস্টার আলতে সেনজাইজারের সভাপতিত্বে এবং মহাপরিচালক মিজ অদ্রে আজুলে এবং বিভিন্ন কমিটি ও কমিশনের চেয়ারপারসনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত প্লেনারি সেশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ইউনেস্কোর সাথে যৌথভাবে উদযাপনের প্রস্তাবনাটি দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হয়।

এর ফলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের সাথে ইউনেস্কো যুক্ত হওয়ায় আগামী ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত মুজিববর্ষ উদযাপনকালে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি পালনের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন আরও ব্যাপক পরিসরে অবহিত করার সুযোগ সৃষ্টি হলো।

এদিকে আজকের মুজিববর্ষ সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় জানানো হয়, ২০২০ সালের ১৭ মার্চ রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর বর্ষব্যাপী উদযাপনের জাতীয় অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধু জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের একশ’ দিনের কাউন্ট ডাউন শুরু হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশের রাজধানী সহ বিভিন্ন বিভাগ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের এই কাউন্ট ডাউনের উদ্বোধন করবেন।

সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রেজেন্টেশন উপভোগ করেন এবং এ সম্পর্কে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।