করোনাভাইরাসের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ হাজার ২৭৮ জন। এ সময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৭৯ জন। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার ২৮৫ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৯৩ জনের।

 এদিকে ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু এবং সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে রাশিয়াতে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন এক লাখ ৭০ হাজার ৬৯৯ জন এবং মারা গেছেন ৭৪৫ জন। একদিনে মেক্সিকোতে মৃত্যু হয়েছে ৪৭০ জনের। এরপর ব্রাজিলে ২৪ ঘণ্টায় ৪২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ৬২৫ জন। যুক্তরাষ্ট্রে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৫৬ জন এবং মারা গেছেন ২৮২ জন। দেশটিতে এ পর্যন্ত ৮ কোটি ৮৭ হাজার ৬১৭ জন শনাক্ত এবং ৯ লাখ ৫৯ হাজার ৪১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ কোটি ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৯৫৫ জন। জার্মানিতে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ১৩১ জন এবং মারা গেছেন ৬৫ জন। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৩৬ লাখ ২ হাজার ৪৩১ জন শনাক্ত এবং ১ লাখ ২১ হাজার ৮৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৬ লাখ ৭৩ হাজার ৭০০ জন।

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২০৬ জন এবং নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৮৭ জন। যুক্তরাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৬৯৬ জন এবং মারা গেছেন ৭৪ জন। ফ্রান্সে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৩ জন। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ২২ লাখ ৮৬ হাজার ৮২৯ জন করোনায় আক্রান্ত এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৪ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় তুরস্কে ২৬৩ জন, ইতালিতে ১৪১ জন, ইরানে ২৪২ জন, পোল্যান্ডে ২৫ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৫০ জন, জাপানে ২০৩ জন, ইউক্রেনে ১৫২ জন, ফিলিপাইনে ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি