কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন উচ্চ আদালত থেকে পাওয়ার সুযোগ আছে বলে মনে করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকালে মতিঝিলে নিজ চেম্বারে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির মিটিং শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন,  মানবিক কারণে খালেদা জিয়া জামিন পাওয়ার যোগ্য। আজকের সভা স্পষ্টভাবে আলোচনা হয়েছে। আমাদের লিখিত বক্তব্যে সব আছে।

এর আগে, লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কারাবন্দি সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

তিনি বলেন, সভা মনে করে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে দীর্ঘ ৬৬৪ দিন বন্দি করে রাখা হয়েছে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে।

মান্না আরও বলেন, যে মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনকে সাজা দেয়া হয়েছে তা অন্যায়। তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার বিবেচনায় আমরা তার আশু মুক্তি দাবি করছি। এ দাবি মানবিক এবং তিনি জামিন পাওয়ার অধিকার রাখেন। অন্যথায় তার দায় দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে সরকারের উপর বর্তাবে।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সাক্ষাতের প্রসঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রব বলেন, আমরা ২২ তারিখ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। উনি আন্তরিকতার সঙ্গে বলেছিলেন আইজি প্রিজনকে বলে দিয়েছেন। আমরা নামের তালিকা পাঠিয়েছি। কিন্তু খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন- জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, গণফোরামের কার্যকরি সভাপতি অধ্যাপক আবু সাঈদ, সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিকল্প ধারা একাংশের সভাপতি অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী প্রমুখ।