মীর তোফাজ্জল হোসেন: ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে সামনে রেখে দৌড়ঝাঁপ চলছে। এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনকে সফল করতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে প্রচার শুরু করেছে পদ প্রত্যাশী নেতারা। নেতাদের ছবি সম্বলিত রঙবে রঙের ব্যানার-ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে মহানগর উত্তর দক্ষিনের বিভিন্ন রাস্তা ঘাট। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিস-আদালত, দলীয় কার্যালয়সহ সব জায়গাতেই আলোচনা নতুন নেতৃত্বে কারা আসছেন ঢাকা মহানগর দুই অংশে।

এবারের সম্মেলনে আলোচনায় রয়েছেন ১/১১ এর সময় শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলনে নির্যাতিত এবং রাজপথে শেখ হাসিনার পরীক্ষিত সৈনিক শাহে আলম মুরাদ,সাধারণ সম্পাদক ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ, আবু আহমেদ মন্নাফী,সহ সভাপতি ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ,মোঃ হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন,সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ,কাজী মোরশেদ কামাল, ,সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ,মোঃ মিরাজ হোসেন,উপ-দপ্তর সম্পাদক,ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ, সাবেক সভাপতি ,ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগ,মামুন রশিদ শুভ্র, উপ-প্রচার সম্পাদক,ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ,সাবেক সভাপতি ,ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগ,গোলাম সারোয়ার কবীর,সাবেক সাধারণ সম্পাদক,ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগ, সহ সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি,ডঃ ওমর বিন আজিজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ,কামাল চৌধুরী,হুমায়ূন কবির, মোঃ আকতার হোসেন, আশরাফ তালুকদার,ডাঃ দিলিপ রায় সহ আরও অনেকে।

 

সম্মেলনকে সামনে রেখে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিডি পলিটিকাকে শাহে আলম মুরাদ বলেন, দলীয় ভাবে আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আমরা চাই এই সম্মেলনের মধ্যদিয়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার- ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা উপহার দিতে। এছাড়া আগামীতেও জননেত্রীর এই চলমান শুদ্ধি অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ সব সময় নেত্রীর পাশে থাকবে।

মোঃ মিরাজ হোসেন বিডি পলিটিকাকে বলেন,আমরা দেখেছি স্বেচ্ছাসেবক লীগ,কৃষক লীগ ও যুবলীগের নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যেমন ক্লিন ইমেজের নেতাদের নির্বাচিত করেছেন। সেইভাবে আশা রাখছি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেও জননেত্রি একই ধারা বজায় রাখবেন বলে নেত্রীর ওপর সম্পূর্ণ আস্থা আছে।

মামুন রশিদ শুভ্র বলেন,আমি সাবেক একজন ছাত্রনেতা হিসেবে দীর্ঘদিন মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের দায়িত্ব সুনামের সঙ্গে পালন করেছি। পরবর্তীতে মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পেয়ে কাজ করছি। আমরা চাই আগামীর সম্মেলনে যেন পরিছন্ন নেতৃত্বই স্থান পায়।

গোলাম সারোয়ার কবীর বলেন,পরিছন্ন,ত্যাগী,সৎ,কর্মঠ নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছি এবারের সম্মেলনে। যারা শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে তারাই নেতৃত্বের সুযোগ পাবে বলে আশা রাখছি।