ইউসুফ দিপু: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনও উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী নেতা কর্মীদের শোকজ নোটিশ পাঠাতে অনুমতি দেননি। উপজেলা নির্বাচনে যে সব উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের প্রকাশ্যে ও গোপনে বিরোধীতা করেছেন তাদের তালিকা  তৈরি করা হয়েছে। দলীয় সভানেত্রি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমতি পেলেই খুব তাড়াতাড়ি তাদের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হবে জানিয়েছে দলটি। শোকজের পর দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগেও উপজেলা নির্বাচানে আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী নেতা কর্মীদের কাছে কয়েক দফা শোকজ যাওয়ার কথা থাকলেও তাদের তালিকা সঠিক ভাবে তৈরি করতে সময় লেগেছে। গত মার্চে অনুষ্ঠিত চার ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ৫৫ জন সাংসদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ পাওয়া যায়। এপ্রিলে শোকজ করার কথা থাকলেও অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সময় নেওয়া হয়। পরে পঞ্চম ধাপের উপজেলা নির্বাচনেও অনেকে নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করেন। তাই দলের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা শাস্তির পক্ষে মত দেন। সব মিলে ৬০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আছে, যাঁদের মধ্যে অন্তত ৬ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় অধিকাংশ উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তৃণ মূলের স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। এর মধ্যে নৌকার প্রার্থীকে হারিয়ে ১৪০টি উপজেলায় জয় পেয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন,  "শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ যাদের উপরে আছে আমরা প্রাথমিক ভাবে চিহ্নিত করেছি। আগামী ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ে চুড়ান্ত তালিকা করা হবে। তার পর থেকেই আমরা শোকজ ও সাময়িক বহিস্কারের নোটিশ পাঠানো শুরু করবো।

উল্লেখ্য,গত ৫ এপ্রিল গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় উপজেলা নির্বাচানে নৌকা প্রতীকের বিরোধীতাকারীদের শোকজ নোটিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।