বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদকের পদে নির্বাচিত হয়েও চেয়ারে বসা হলো না জায়েদ খানের। তার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি না মানার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে আপিল বোর্ডের কাছে।

সঙ্গত কারণে পদ হারিয়েছেন তিনি। তার পরিবর্তে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন নিপুণ। বিষয়টি আজ শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেছেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান।

আজ বিকেল ৫টায় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসে আপিল বোর্ডের জরুরি এক বৈঠক বসে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন না জায়েদ খান। উপস্থিত ছিলেন না কার্যকরী সদস্য পদে অভিযুক্ত চুন্নুও।

তারা উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বক্তব্য পায়নি আপিল বোর্ড। তবে তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে আপিল বোর্ড।

জায়েদের পরিবর্তে নিপুণ সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী। আর ইসিতে চুন্নুর পরিবর্তে ১৭৯ ভোট পাওয়া নাদির খানকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে বৈঠকে উপস্থিত না থাকার কথা জায়েদ আগেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহানসহ চারজনকে আইনি নোটিশও দিয়েছেন জায়েদ খান। বাকিরা হলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আপিল বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ব্যারিস্টার মুজিবুল হক ভুইয়া স্বাক্ষরিত এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এর আগে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী জায়েদ খান ও ইসি পদের চুন্নুর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ। তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি না মানার অভিযোগ এনেছেন এই দুজনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ আমলে নিয়ে শিল্পী সমিতির নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও সচিব বরাবর দিকনির্দেশনা চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদফতর আপিল বোর্ডকে নির্দেশ দেয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী আপিল বোর্ডের সংশ্লিষ্টরা আজ শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির অফিসে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। এতে উপস্থিত থাকতে বলে আপিল বোর্ড চিঠি দেয় অভিযোগকারী সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ, অভিযুক্ত জায়েদ খান ও চুন্নুসহ দুই নির্বাচন কমিশনার জাহিদ হোসেন, বি এইচ নিশান, শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনকে।