ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ দেশের প্রতিটি আন্দোলনে সংগ্রামে ছাত্রদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। বুয়েট চাইলে করতে পারে, আমরা কেন ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করব। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি মনে করে সেখানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করবে; তারা করতে পারে।

বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটায় গণভবনে তাঁর সাম্প্রতিক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সফর সম্পর্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, এ দেশের জাতীয় সকল নেতৃত্ব উঠে এসেছে ছাত্র রাজনীতি থেকে। আমি ছাত্র রাজনীতি করেই এখানে এসেছি। এজন্য আমরা দেশের জন্য কাজ করতে পারি।

বুয়েটের ছাত্র আবরার হত্যা প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বুয়েটের খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে আলামত সংগ্রহের নির্দেশ দেই। যখন পুলিশ আলামত সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে তাদের আটকে দেওয়া হলো। তিন ঘণ্টা আটকে রাখা হলো, কেন? সেটা জানা দরকার। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কিনা। পরে আইজিপি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে আইজিপিকে নির্দেশ দিয়েছি কোন রুমে কারা ছিল সবগুলোকে ধরে অ্যারেস্ট করো। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাবে আমি মেনে নেবো না। ছাত্রলীগকে সঙ্গে সঙ্গে ডেকেছি, নির্দেশ দিয়েছি ব্যবস্থা নেওয়ার।

তিনি বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। কীসের ছাত্রলীগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কারো দাবির অপেক্ষায় তো আমি বসে থাকিনি। সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ দিয়েছি, গ্রেফতার শুরু হয়েছে। এরপর আন্দোলনই বা কীসের জন্য।

শেখ হাসিনা বলেন, যে বাবা-মা সন্তান হারিয়েছে তাদের কষ্টটা কী সেটা আমি জানি। তাকে (আবরার ফাহাদ) এভাবে ধরে নৃশংসভাবে মারা, এটা কেন। যত রকম শাস্তি আছে সব দেওয়া হবে।