মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি নিয়ে চলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ,ও কৃষক লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা করা হয়েছে।

আগামী নভেম্বর মাসের ২৩ তারিখে যুবলীগ, ১৬ তারিখ, ৯ নভেম্বর শ্রমীক লীগের ও ২ নভেম্বর কৃষক লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান  জানান, “বুধবার বিকেলে গণভবনে সম্প্রতি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান ও ভারতের দিল্লি সফরের অর্জন ও সফলতা তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের শেষে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করেন। 

“আগামী নভেম্বর মাসের ২৩ তারিখে যুবলীগ, ১৬ তারিখ সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি সংগঠনের নেতাদের চিঠি দিয়ে তা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া জানান, “৯ নভেম্বর শ্রমীক লীগের ও ২ নভেম্বর কৃষক লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পরের দিন ৩রা নভেম্বর জাতীয় চার নেতা হত্যা দিবস থাকায় কৃষক রীগের সম্মেলনের তারিখ পরিবর্তন হতে পারে।”

বিপ্লব বড়ুয়া  জানান, “এই চারটি সংগঠনের সম্মেলনের তারিখ প্রাথমিক ভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।”

যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ জানান, “২৩ নভেম্বর আমাদের সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা হয়েছে বলে আমি শুনেছি, তবে এখনও কোন চিঠি পাই নি।”

এর আগে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন থেকে ফিরে গত ২ অক্টোবর গণভবনে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দলের ২১তম জাতীয় কাউন্সিলের আগেই সম্মেলন করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরদিন আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে সহযোগী সংগঠনগুলোকে সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে চিঠি দেওয়া হয়।

তিন বছর ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০১২ সালের ১৪ জুলাইয়ের কাউন্সিলে যুবলীগের চেয়ারম্যান হন ওমর ফারুক চৌধুরী। ওই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হন হারুন অর রশিদ।

২০১২ সালের ১১ জুলাই মোল্লা মো. আবু কাওসারকে সভাপতি ও পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বশেষ কমিটি হয়।সেই কমিটি এখনও কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

একই অবস্থা সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের। আর সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন শ্রমিক লীগের বর্তমান কমিটিও মেয়াদ পেরিয়েছে প্রায় তিন বছর আগে।