সরকারি কোষাগার থেকে পরিবারের সকালের নাশতা বিল মিটিয়ে বিতর্কে পড়ে সেই অর্থ ফেরত দেবেন বলে জানিয়েছেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মেরিন।

সরকারি টাকায় প্রধানমন্ত্রী তার ও পরিবারের সবার ব্রেকফাস্টের বিল কেন মেটাবেন, এই প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন ফিনল্যান্ডের জনগণ। নড়েচড়ে বসেছে ফিনল্যান্ডের পুলিশ-প্রশাসনও। গোয়েন্দা বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নাশতা-সংক্রান্ত খরচ বিষয়ে অচিরেই তদন্ত হবে।

ফিনল্যান্ড সরকারের প্রধান সানা মেরিন জানিয়েছেন, তার আগে যারা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তারাও এভাবে এই সুবিধা পেয়েছেন। এক টুইটে তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত চলাকালীন তিনি ওই সুবিধা নেওয়া বন্ধ রাখবেন। এমনকি এই জাতীয় সুবিধা নেওয়া আইনবিরুদ্ধ হলে তা আর নেবেন না।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর সানা মেরিনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র ছিল তার স্বচ্ছতা। তার নেতৃত্বে ফিনল্যান্ড যেভাবে করোনা সংক্রমণ সামলেছে, তারও প্রশংসা করেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। গোটা ইউরোপের মধ্যে ফিনল্যান্ডেই কোভিড সংক্রমণের হার সব চেয়ে নিচে।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের বিচারে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নারী বিবেচিত হওয়া, বিবিসির বিচারে বিশ্বের সেরা ১০০ নারীর তালিকায় ঠাঁই পাওয়া অপূর্ব সুন্দরী সানা ভোটের আগে তার বিরোধীদের সমালোচনার রোষানলে পড়লেন। সেখানে স্থানীয় নির্বাচন শুরু হতে চলেছে ১৩ জুন। সূত্র: দ্য হিন্দু, জি২৪ ঘণ্টা