বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার চট্টগ্রাম টেস্টের উইকেট আগে থেকেই ছিল স্পিন সহায়ক। তবে টেস্টের তৃতীয় দিনে এসে চট্টগ্রামের উইকেটে যেন স্পিন আরো বেশি জেঁকে বসেছে। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে মধ্যাহ্নবিরতিতে যাওয়ার আগে মাত্র ৬৭ রানে উইকেট পড়েছে পাঁচটি। এরমধ্যে ১১ রানে বাংলাদেশের ২টি উইকেট ও সফরকারী আফগানিস্তানের পড়েছে ৫৬ রানে ৩ উইকেট। মধ্যাহ্নবিরতিতে যাওয়ার সময় আফগানদের সংগ্রহ ২৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৫৬ রান।

এর আগে চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামার পর আফগান ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরে বাংলাদেশ। আরো ভালোভাবে বললে সাকিব, মিরাজ, তাইজুলসহ স্বাগতিক স্পিনাররা। যদিও এই চাপের মধ্যেই কয়েকটি বাউন্ডারি ও ওভারবাউন্ডারির মাধ্যমে রানের গতিকে কিছুটা বাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে দেখা গেছে সফরকারীদের।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস শেষ হওয়ার পর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাকিবের জোড়া আঘাতে এলোমেলো হয় আফগান ব্যাটিং লাইনআপ। পরে দলীয় ২৮ রানে হাসমতউল্লাহ শহীদীকে স্লিপে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানিয়ে আফগানিস্তানের তৃতীয় উইকেটটি তুলে নেন স্পিনার নাইম হাসান। ১২ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান হাসমতউল্লাহ শহীদী।

আফাগানদের দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে দুই উইকেট তুলে নেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। দলীয় ৪ রানে সাকিবের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজ ঘরের পথ ধরেন আফগান ওপেনার ইহসানউল্লাহ। আর পরের বলেই রহমত শাহকে কট অ্যান্ড বোল্ড করেন সাকিব। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান রহমত শাহ দ্বিতীয় ইনিংসে ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগেই। শেষ খবর পাওযা পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারী আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৯ রান।

এর আগে তৃতীয় দিনের শুরুতেই দলীয় ১১ রান যোগ করে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২০৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। আগের দিনের ৮ উইকেটে ১৯৪ রান নিয়ে খেলতে নেমে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই আউট হন তাইজুল ইসলাম। দলীয় ২০৫ রানে ব্যক্তিগত ৭ রান করে রশিদ খানের পঞ্চম শিকার হন নাঈম হাসান।